কিস্তি তুলতে যাওয়া এনজিও কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ঋণের কিস্তির টাকা আদায় করতে গিয়ে অস্ত্রের আঘাতে মো. সাজিদুর রহমান নামের এক এনজিও কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন। ঘটনার পর ওই এলাকায় উৎসুক জনতা ভিড় করছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্রাইম সিনের সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে লাশ পাঠিয়েছেন।

নিহত সাজিদুর রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মীরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে হান্নানের স্ত্রী শারমিন আক্তার ব্যুরো বাংলাদেশ নামের একটি এনজিও বারদী শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এ থেকে প্রতি সপ্তাহে ১২৫০ টাকা করে ঋণ পরিশোধ করে শারমিন আক্তার। এছাড়াও ওই বাড়িতে আরও কয়েকজন গ্রাহক রয়েছেন।

রোববার দুপুরে ওই কিস্তির টাকা আদায় করতে ব্যুরো বাংলাদেশ এনজিওর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. সাজিদুর রহমান হান্নানের বাড়ি যান। পরে হান্নানের ঘরে তার গলাকাটা লাশ দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়।

ব্যুরো বাংলাদেশের বারদী শাখার হিসাব রক্ষক মামুন অর রশিদ বলেন, সাজিদুর রহমান বেলা ১২টার দিকে একটি কেন্দ্রের টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা দিয়ে এ কেন্দ্রের টাকা তুলতে যান। এখানে এসে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তবে গ্রাহকরা নিয়মিতভাবেই কিস্তি পরিশোধ করছেন। কি কারণে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটলো বিষয়টি তদন্তের দাবি করছি।

সোনারগাঁ থানা পুলিশের ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বিষয়টি তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রাইম সিনের সদস্যদের খবর দিলে বিকেলে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তেরর জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়াধীন।

You cannot copy content of this page