Breaking News

বৌদ্ধ ধর্ম ছেড়ে মুসলিম হলেন জাপানী তরুণী

জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মু’সলিম হওয়ার পর জীবনের ম’র্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমা’র এ জীবন।এই কথা গুলো বলেছেন জা’পানি এক তরুণী যিনি বৌদ্ধ ধ’র্মানুসারী ছিলেন, পরে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করেন। জা’পানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা ম’রিয়ম। বর্তমানে তিনি যু’ক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

তবে শি’শুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে। ইস’লাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমা’র মেজর বিষয় ছিল মালয়েশিয়ান স্টাডিজ। এবং এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মু’সলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।এসময় আমি ইস’লাম স’ম্পর্কে জানতে পারি এরপর অনেক মু’সলিম’দের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধ’র্ম হল ইস’লাম।

আরিসার ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালো’ভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন।আরিসা বলেন, আমি জানি আমা’র জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মু’সলিম হওয়ার পর জীবনের ম’র্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমা’র এ জীবন।

মু’সলিম’দের হিজাব পরার পক্ষে রায় দিল জার্মানির আ’দালত

বার্লিনের স্কুলে মু’সলিম শিক্ষিকাদের হিজাব পরতে দিতে হবে। রায় দিল জার্মানির আ’দালত। এক নারীর আবেদনের ভিত্তিতে কয়েক বছর ধরে একটি মা’মলা চলছিল। বৃহস্পতিবার তার ফয়সালা হলো। এত দিন পর্যন্ত মু’সলিম শিক্ষিকারা স্কুলে হিজাব পরে যেতে পারতেন না।নিউট্রালিটি বা নিরপেক্ষতার আইন রয়েছে জার্মানিতে। যার অর্থ, স্কুলে বা কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে ধ’র্মীয় চিহ্ন ব্যবহারকারী কোনো পোশাক পরা যাবে না। সে কারণেই স্কুলে হিজাব বা স্কার্ফ পরে যেতে পারতেন না মু’সলিম শিক্ষিকারা।

বার্লিনে বসবাসকারী এক মু’সলিম নারী এই নিয়মের বি’রুদ্ধে বার্লিন আ’দালতে একটি মা’মলা করেন। দীর্ঘদিন সেই শুনানি চলার পরে ২০১৮ সালে বার্লিনের নিম্ন আ’দালত ওই নারীর পক্ষে রায় দেন। বলা হয়,হিজাব পরে স্কুলে যেতে পারবেন মু’সলিম নারীরা। একই সঙ্গে ওই নারীকে পাঁচ হাজার ১৫৯ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারপক্ষের উকিল এরপর উচ্চ আ’দালতে এই রায়ের বি’রুদ্ধে আপিল করেন। বৃহস্পতিবার উচ্চ আ’দালত তার রায় জানিয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, হিজাব পরে কোনো মু’সলিম নারী যদি স্কুলে যান এবং তাতে যদি শান্তি ভঙ্গ না হয়, তাহলে এতে কোনো অন্যায় নেই। হিজাব পরা এক ধরনের অধিকার। তা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা যায় না। ফলে মু’সলিম শিক্ষিকারা চাইলে স্কুলে হিজাব পরে যেতে পারেন। নিম্ন আ’দালতের রায়ের সঙ্গে কোনো অংশেই দ্বিমত পোষণ করেনি উচ্চ আ’দালত।বার্লিনে বসবাসকারী মু’সলিম নারীদের বক্তব্য, এটি তাদের বড় জয়। বস্তুত, স্কুলে হিজাব পরা নিয়ে কিছু দিন আগে জার্মানির আরো কয়েকটি রাজ্যে গোলযোগ দেখা গিয়েছিল।

বেশ কিছু রাজ্য স্কুলে হিজাব, বোরখা পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তখনো ধ’র্মীয় অধিকার এবং স্বাধীনতার প্রশ্ন উঠেছিল। বার্লিন আ’দালতের রায় এ বার দেশের অন্য আ’দালতগুলোকেও প্রভাবিত করবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে জার্মান বিশেষজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, জার্মানির নিউট্রালিটি বা নিরপেক্ষতার আইন খুব শক্তিশালী। বার্লিন আ’দালতের রায় এবং নিরপেক্ষতার আইনের মধ্যে কী’ভাবে সামঞ্জস্য রক্ষা করা হবে, তা নিয়ে অনেকেই ভাবিত। নিরপেক্ষতার আইনে বদল আসতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।