Breaking News

ইতিহাসে প্রথম ডাবল সুপার ওভার, নাটকীয় জয় পঞ্জাবের

টানটান উত্তেজনার মধ্যে দ্বিতীয় সুপার ওভারে জিতল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব। জিতে ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্টে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এল লোকেশ রাহুলের দল। অন্য দিকে, ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে রোহিত শর্মার দল থাকল দ্বিতীয় স্থানেই।

৪০ ওভারের ম্যাচের পর টাই হয়েছিল পঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচের প্রথম সুপার ওভারও। ইতিহাসে এই প্রথম ম্যাচ গড়িয়েছিল ডাবল সুপার ওভারে। নিয়ম অনুসারে প্রথম সুপার ওভারে যাঁরা ব্যাটে-বলে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের কেউ ব্যাটিং-বোলিং করতে পারবেন না। ফলে, দ্বিতীয় সুপার ওভারে মুম্বইয়ের হয়ে ব্যাট করতে এসেছিলেন কায়রন পোলার্ড ও হার্দিক পান্ড্য। ক্রিস জর্ডনের সেই ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ওঠে ১১। শেষ বলে ময়াঙ্ক আগরওয়াল অবিশ্বাস্য ভাবে ছয় না বাঁচালে আরও বেশি রান তাড়া করতে হত পঞ্জাবকে।

জেতার জন্য পঞ্জাবের দরকার ছিল ১২ রান। ব্যাট করতে এসেছিলেন ক্রিস গেল ও ময়াঙ্ক। প্রথম বলেই ট্রেন্ট বোল্টকে ছয় মারলেন গেল। দ্বিতীয় বলে এল ১। তৃতীয় বলে চার মারলেন ময়াঙ্ক। পরের বলেও মারলেন চার। অবিশ্বাস্য জয় পেল পঞ্জাব।

বুম বুম বুমরার দাপটে প্রথম সুপার ওভারে পঞ্জাবকে ৫ রানে আটকে রেখেছিল মুম্বই। বুমরা এর আগে পঞ্জাবের ইনিংসে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। আর প্রথম সুপার ওভারে নিলেন ২ উইকেট। ফেরালেন নিকোলাস পুরান আর লোকেশ রাহুলকে। প্রথম সুপার ওভারে জেতার জন্য মুম্বইয়ের দরকার ছিল ৬ রান। মহম্মদ শামির প্রথম ৩ বলে উঠল ৩ রান। চতুর্থ বলে এল না রান। পঞ্চম বলে এল ১ রান। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রানের। ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হলেন কুইন্টন ডি’কক। ফলে, টাই হল প্রথম সুপার ওভার। যার কৃতিত্ব একের পর এক ইয়র্কার দিয়ে চলা শামির।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান তুলেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। জবাবে অধিনায়ক কিংস ইলেভেন পঞ্জাবও ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ১৭৬। রবিবারের দুটো ম্যাচই হল টাই। দুটো ম্যাচই গড়িয়েছিল সুপার ওভারে। তবে রাতের ম্যাচ একটা সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হল না। গড়াল দ্বিতীয় সুপার ওভারে।

তার আগে ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ওপেনিংয়ে ৩৩ রান তুলেছিলেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল ও রাহুল। জশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হয়েছিলেন ময়াঙ্ক (১০ বলে ১১)। দ্বিতীয় উইকেটে ক্রিস গেল ও রাহুল যোগ করেছিলেন ৪২ রান। রাহুল চাহারকে ছয় মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে ফিরেছিলেন গেল (২১ বলে ২৪)। ৭৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছিল পঞ্জাব। নিকোলাস পুরান (১২ বলে ২৪) আক্রমণাত্মক থাকলেও বেশিক্ষণ থাকেননি। বুমরার বলে ফিরেছিলেন তিনি। ১০৮ রানে পড়েছিল তৃতীয় উইকেট। চতুর্থ উইকেট পড়েছিল ১১৫ রানে। রাহুল চাহারের বলে ফিরেছিলেন গ্লেন ম্য়াক্সওয়েল (২ বলে ০)।

You cannot copy content of this page