এবার রিকশাচালক সেজে সেই মামুনকে যেভাবে আট’ক করলো পুলিশ

দীর্ঘদিন ধরেই /মা/দ/ক/ কারবারি করে আসছিলেন এই আবু বক্কর সিদ্দিক মামুন। যিনি এর আগেও /মা/দ/ক/ কারবারির কারনে আ’ট’ক হয়েছিলেন। এবং এ অ’প’রাধের দায়ে মামুনকে ৫ বছরের কারাদ’ণ্ড দিয়েছিল আ’দালত।

কিন্তু আ’দালতের এ রায় শুনে দেশত্যাগ করে দক্ষিন আফ্রিকায় পালিয়ে যান তিনি। এরপর গো’পন তথ্যের ভিত্তিতে পু’লিশ জানতে পারে, সম্প্রতি দেশে ফিরে মামুন আবার শুরু করেন /ই/য়া/বা/ ব্যবসা। কিন্তু কোনোভাবেই তাকে গ্রে’ফতার করা যাচ্ছিল না।

তাই রিকশাচালক ও যাত্রীর ছদ্মবেশ ধরে /মা/দ/ক/ ব্যবসায়ী মামুনকে গ্রে/ফ/তারে রাস্তায় নামে পু’লিশ। দিনভর চেষ্টায় রাতে হাতেনাতে ফলও পাওয়া যায়। গ্রে’ফতার হন মামুন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম নগর পু’লিশের কোতোয়ালি থা’নার একটি টিম পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আ’সামি মামুনকে গ্রে’ফতার করে।

গ্রে’ফতার মামুন কোতোয়ালি থা’নার ঘাটফরহাদবেগ এলাকার মৃ/ত রফিকুল ইস’লামের ছে’লে। তিনি পু’লিশের তালিকাভুক্ত /মা/দ/ক কারবারি।

২০১১ সালে বাকলিয়া থা’না পু’লিশ ও ২০১৪ সালে চাঁদগাও থা’না পু’লিশের হাতে /মা/দ/ক/স/হ গ্রে’ফতার হন মামুন। ২০১৭ সালে বাকলিয়া থা’নার মা’মলার বিচার শেষে তাকে পাঁচ বছরের কারাদ’ণ্ড দেন আ’দালত। এছাড়া দুই হাজার টাকা অর্থদ’ণ্ড দেয়া হয়। জ’রিমানার টাকা অনাদায়ে আরও দুই মাস কারাদ’ণ্ড দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর দেশ ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান মামুন। তার নামে চাঁদগাও থা’নায় দায়ের করা মা/ম/লা’টি এখনো বিচারধীন।

কোতোয়ালি থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মোহাম্ম’দ মহসীন বলেন, ’/মা/দ/ক/ মা’মলায় সাজা’প্রাপ্ত আ’সামি মামুনকে গ্রে’ফতার করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় আম’রা অ’ভিযান পরিচালনা করেছি।

কিন্তু মামুন আমাদের ধ’রাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। দেশে ফিরে মামুন কোতোয়ালি থা’না পু’লিশের চোখকে ফাঁকি দিতে কোতোয়ালি এলাকা ত্যাগ করে পরিবার নিয়ে পতেঙ্গা এলাকায় থাকতে শুরু করেন।’

তিনি বলেন, ’সর্বশেষ আম’রা কৌশল পরিবর্তন করে আমাদের তিন এএসআই সাইফুল আলম, রনেশ বড়ুয়া ও মো. নুরুন্নবীর সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে পতেঙ্গা এলাকায় পাঠালে তারা রিকশাচালক ও সাধারণ যাত্রী বেশে মামুনকে গ্রে’ফতারে সক্ষম হন।’

এ বিষয়ে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল ইস’লাম বলেন, ’মামুনকে গ্রে’ফতারে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছিলাম। তার কল রেকর্ড, ছবি সংগ্রহের পরও তিনি বারবার হাতের নাগালের বাইরে চলে যান। পরে খবর পাই তিনি

পতেঙ্গার কাটগড় এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করছেন। পরে সেখানে তিনজন রিকশাচালক আর যাত্রীর বেশে আম’রা সোমবার দুপুর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অবস্থান নিই।’

এ সময়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে আরও জানান, এ সময়ে তারা খুবই চতুরতার সাথে স্বাভাবিক যাত্রী-চালকের মতোই ভাড়া আদান-প্রদান করেন। এমন সূক্ষ্ম ভাবে অ’ভিনয়টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যাতে ফলে কেউ তাদেরকে চিন্তে পারেনি। পরে রিকশার পাশ দিয়েই হেঁটে যাওয়ার সময় মামুনের বাসার কাছ থেকেই তাকে আ’ট’ক করে তারা।