আবারও ছাত্রলীগ নেতার মা’দ’ক সেব’নের ছবি ভাইরাল

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের এক নেতার মা;দ;ক সে;বনের ছ;বি ভাইরাল হওয়ার রেশ না কাটতেই এবার মহানগর ছাত্রলীগ নেতার মা;দ;ক সেবনের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে নানা ধরনের সমলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও ছাত্রলীগ নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, ফতুল্লার চাঁ;দ;রী এলাকার মীর্জা তোফা আহম্মেদ তোলারাম ক;লেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অর্থ সম্পাদকের পদ পান তোফা। তার

বিরু;দ্ধে তোলারাম কলেজে বিভিন্ন শি;ক্ষার্থীকে মার;ধর;, চাষাঢ়া রেল স্টেশনে প্রকাশ্যে মা;দক; সেব;ন ও বিক্রির অভি;যোগ রয়েছে।

এছাড়াও কলেজ ক্যাম্পাসের আশপাশে মাদক বিক্রি ও চাষাঢ়া প্লাটফর্মে ছিন;তা;ই;কারীদের ম;দদ দেয়ারও অভি;যোগ ;রয়েছে এ নেতার বি;রুদ্ধে।এর আগে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজের মা;দক সেবনের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।প্রশাসন বলছে, মা;দকের বি;;রুদ্ধে তারা জিরো টলা;রেন্স নীতি অবলম্বন করছে।

তবে ছাত্রলীগের পদধারী নেতাদের মাদ;ক সেবনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে প্রকাশের পরও পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি বলে মন্তব্য নাগরিক সমাজের।

এদিকে ওই দুই ছাত্রলীগ নেতাকে চেনেন ছাত্রলীগের এমন কয়েকজন কর্মী জানান, তারা নিয়মিত ই;য়াবা সেবন করেন। এমনকি অন্য;কেও ই;য়াবা সেবনে আমন্ত্রণ জানান।মা;দক সেবন ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মির্জা তোফা আহমেদ জানান, এগু;লো সব মিথ্যা;। এগুলোর সঙ্গে আমি জড়িত না।;

তবে ছবিতে মা;দক সেবন করতে দেখা যাওয়ার প্রসঙ্গে ‘মন্তব্য নেই’ বলেই ফোন কেটে দেন।

মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ বলেন, আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। যদি মা;দ;ক সেবনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বি;রু;দ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতি করে কেউ অন্যায় করে পার

পাবে না। আমার কমিটির মেয়াদকালে কারও অ;প;রাধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে সে কমিটিতে থাকতে পারবে না।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, মির্জা তোফা আহমেদের বি;রু;দ্ধে আগে আমার কাছে কোনো অভিযোগ ছিল না। সে যদি মাদ;;কের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে অব;শ্যই তদন্তপূর্বক; ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্রঃ জাগোনিউজ